প্রকল্প বন্ধ ছয় বছর, পাহারায় দুই বৃদ্ধ: তিন বছর ধরে মিলছে না বেতন

দৈনিক কাদামাটি
দৈনিক কাদামাটি Reporter প্রকাশিত: সোমবার, ১৭ আগস্ট, ২০২৬২০২৬, ১১:৩০ PM ২৭৭ বার পড়া হয়েছে
প্রকল্প বন্ধ ছয় বছর, পাহারায় দুই বৃদ্ধ: তিন বছর ধরে মিলছে না বেতন
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

গোপালগঞ্জের পল্লী জনপদ প্রকল্পে পড়ে আছে সরকারি সম্পদ; পাওনা দাবি প্রায় ১০ লাখ টাকা

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি, 

নির্মাণকাজ বন্ধ হয়েছে প্রায় ছয় বছর। নেই কোনো কর্মচাঞ্চল্য, নেই নতুন নির্মাণের কার্যক্রম। প্রকল্প এলাকার বিভিন্ন স্থানে পড়ে আছে নির্মাণসামগ্রী ও সরকারি সরঞ্জাম। অথচ বন্ধ প্রকল্পের সম্পদ পাহারায় এখনো দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন গোপালগঞ্জের দুই প্রবীণ কর্মী। অভিযোগ, এই দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে গত তিন বছর ধরে তারা কোনো বেতন-ভাতা পাচ্ছেন না।

Advertisement
Advertisement

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলার হরিদাসপুর ইউনিয়নের ভেড়ারবাজার এলাকায় ‘পল্লী জনপদ, গোপালগঞ্জ’ গৃহায়ন প্রকল্পে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। প্রকল্পটির কাজ বাংলাদেশ মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি (বিএমটিএফ)-এর তত্ত্বাবধানে শুরু হলেও পরবর্তীতে সরকারি সিদ্ধান্তে এর কার্যক্রম স্থগিত হয়ে যায়।

প্রকল্প এলাকায় দায়িত্ব পালনকারী দুই কর্মী হলেন ৬৫ বছর বয়সী মো. বিশু মাতুব্বর ও ৬৬ বছর বয়সী জালু শেখ। তাদের দাবি, প্রায় তিন বছর ধরে তারা নিয়মিত প্রকল্প এলাকায় অবস্থান করছেন এবং সরকারি সম্পদ পাহারা দিচ্ছেন। কিন্তু এ সময়ে তাদের কোনো বেতন পরিশোধ করা হয়নি।

Advertisement
Advertisement

দুই কর্মীর হিসাব অনুযায়ী, বেতন-ভাতা বাবদ তাদের মোট পাওনা প্রায় ১০ লাখ টাকারও বেশি। দীর্ঘদিন আয় না থাকায় তাদের সংসারে দেখা দিয়েছে তীব্র আর্থিক সংকট।

বিশু মাতুব্বর ও জালু শেখ জানান, প্রকল্পের কার্যক্রম বন্ধ থাকলেও এলাকায় থাকা বিভিন্ন মালামাল ও সরঞ্জাম রক্ষার জন্য তাদের সেখানে থাকতে হচ্ছে। দায়িত্ব ছেড়ে চলে গেলে সরকারি সম্পদ চুরি বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে বেতন না পেলেও তারা এতদিন দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

Advertisement
Advertisement

তাদের অভিযোগ, প্রকল্প এলাকায় অতীতে কয়েক দফা মালামাল চুরির ঘটনাও ঘটেছে। এসব ঘটনায় মামলা-মোকদ্দমার খরচ চালাতেও তাদের নিজেদের অর্থ ব্যয় করতে হয়েছে। কখনো নিজেদের জমানো টাকা, আবার কখনো ধারদেনা করে তারা এসব খরচ বহন করেছেন বলে জানান।

বিশু মাতুব্বর বলেন, ‘বেতন না পেলেও সরকারি মালামালের দায়িত্ব ছেড়ে যেতে পারিনি। এতদিন কাজ করেছি। এখন অন্তত আমাদের পাওনাটুকু দেওয়া হোক। বয়স হয়েছে, নতুন করে কাজ পাওয়ারও সুযোগ নেই।’

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: বাবাকে হারানোর পরও থামেনি স্বপ্ন, ডাক্তার হতে চায় টুঙ্গিপাড়ার শয়ন

বাবাকে হারানোর পরও থামেনি স্বপ্ন, ডাক্তার হতে চায় টুঙ্গিপাড়ার শয়ন

জালু শেখও একই ধরনের দাবি জানিয়েছেন। তার ভাষ্য, দীর্ঘদিন কাজ করার পর বেতন না পাওয়ায় পরিবার নিয়ে তিনি চরম কষ্টে রয়েছেন। বয়সের কারণে শারীরিকভাবে কঠিন কাজ করাও এখন তার পক্ষে সম্ভব নয়।

নিয়োগ নিয়ে প্রশ্ন

দুই কর্মীর ভাষ্য অনুযায়ী, ঠিকাদারি সাপ্লায়ার প্রতিষ্ঠান ‘কোয়ান্টাম’-এর মালিক রফিকুল ইসলাম তাদের নিয়োগ দিয়েছিলেন। বকেয়া বেতন-ভাতা পাওয়ার বিষয়ে তার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করেও তারা কাঙ্ক্ষিত সমাধান পাননি বলে অভিযোগ করেন।

Advertisement
Advertisement

বিষয়টি নিয়ে রফিকুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে বিস্তারিত কথা বলতে অপারগতা প্রকাশ করেন।

প্রকল্পটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকায় সরকারি সম্পদের বর্তমান অবস্থা এবং সেগুলোর নিরাপত্তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে দায়িত্ব পালন করা দুই প্রবীণ কর্মীর বেতন-ভাতা পরিশোধ না হওয়ার বিষয়টিও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরে আনা প্রয়োজন বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

Advertisement
Advertisement

দুই কর্মীর দাবি, তারা আর কোনো অতিরিক্ত সুবিধা চান না। দীর্ঘদিনের শ্রমের বিনিময়ে যে বেতন-ভাতা তাদের পাওনা, সেটুকু বুঝিয়ে দিলেই তারা সন্তুষ্ট। এরপর তাদের দায়িত্বে রাখা হবে কি না, সে সিদ্ধান্ত কর্তৃপক্ষ নিলেও তাদের আপত্তি নেই।

স্থানীয়দের মতে, একদিকে বন্ধ প্রকল্পের সরকারি সম্পদ সংরক্ষণ, অন্যদিকে দুই প্রবীণ কর্মীর দীর্ঘদিনের বকেয়া—দুই বিষয়ই দ্রুত সমাধানের দাবি রাখে। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সরেজমিন তদন্তের মাধ্যমে প্রকল্পের বর্তমান অবস্থা ও কর্মীদের পাওনা নির্ধারণ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।

Advertisement
Advertisement

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি
১৭ আগস্ট ২০২৬

ট্যাগ:

গোপালগঞ্জ সদর ভূমি অফিসে এসিল্যান্ড নেই দেড় মাস, আটকে আছে সেবা

দৈনিক কাদামাটি
দৈনিক কাদামাটি Reporter প্রকাশিত: বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬২০২৬, ৪:৫১ AM ৯৬ বার পড়া হয়েছে
গোপালগঞ্জ সদর ভূমি অফিসে এসিল্যান্ড নেই দেড় মাস, আটকে আছে সেবা
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি:

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে সহকারী কমিশনার (ভূমি) বা এসিল্যান্ড পদ দীর্ঘদিন ধরে শূন্য থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন শত শত সেবাপ্রার্থী। সাবেক এসিল্যান্ড মো. রুহুল আমিন শরিফ বদলিজনিত কারণে দায়িত্ব ছাড়ার পর প্রায় দেড় থেকে দুই মাস পেরিয়ে গেলেও নতুন কোনো কর্মকর্তা পদে যোগদান করেননি বলে জানা গেছে।

Advertisement
Advertisement

গুরুত্বপূর্ণ এই পদে স্থায়ী কর্মকর্তা না থাকায় ভূমি অফিসের নিয়মিত কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় ভূমি মালিক ও সেবাপ্রার্থীরা। বিশেষ করে নামজারি (মিউটেশন) নিষ্পত্তি, শুনানি গ্রহণ, ভূমি রেকর্ড সংশোধন, খাজনা-সংক্রান্ত কার্যক্রম এবং বিভিন্ন অভিযোগের ফাইল নিষ্পত্তিতে ধীরগতি দেখা দিয়েছে।

সেবাপ্রার্থীদের অভিযোগ, জমি সংক্রান্ত জরুরি কাজে অফিসে এসে অনেককেই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হচ্ছে। আবার কেউ কেউ একাধিকবার অফিসে গিয়েও কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে ফিরে যাচ্ছেন। এতে জমি ক্রয়-বিক্রয়, উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়া সম্পত্তি হালনাগাদ এবং অন্যান্য ভূমি সংক্রান্ত কাজে জটিলতা তৈরি হচ্ছে।

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: নষ্ট ছেলে’ নিয়ে আসছেন কণ্ঠশিল্পী এম আর রুবেল

নষ্ট ছেলে’ নিয়ে আসছেন কণ্ঠশিল্পী এম আর রুবেল

স্থানীয়রা জানান, ভূমি সেবা মানুষের সম্পত্তির অধিকার, পারিবারিক উত্তরাধিকার ও দৈনন্দিন প্রয়োজনের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত। তাই এ ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পদ দীর্ঘদিন শূন্য থাকা কোনোভাবেই কাম্য নয়। দ্রুত একজন স্থায়ী সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদায়ন করা হলে সেবার স্বাভাবিক গতি ফিরবে এবং জনগণের ভোগান্তি কমবে বলে মনে করছেন তারা।

এদিকে, স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত বিষয়টি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নজরে এনে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন। তাদের দাবি, স্থায়ী কর্মকর্তা যোগদানের আগ পর্যন্ত দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনো কর্মকর্তার মাধ্যমে জরুরি ফাইল ও আবেদনগুলো অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা হোক।

Advertisement
Advertisement

গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা ভূমি অফিসে দ্রুত নতুন সহকারী কমিশনার (ভূমি) পদায়নের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের এই সংকটের অবসান হবে—এমনটাই প্রত্যাশা স্থানীয় সেবাপ্রার্থীদের।

ট্যাগ:

গোপালগঞ্জে লোকনাথ বাবার আবির্ভাব উৎসব ও জন্মাষ্টমী উদযাপন

দৈনিক কাদামাটি
দৈনিক কাদামাটি Reporter প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬২০২৬, ২:২৫ AM ২০০ বার পড়া হয়েছে
গোপালগঞ্জে লোকনাথ বাবার আবির্ভাব উৎসব ও জন্মাষ্টমী উদযাপন
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

উৎসবমুখর পরিবেশ, ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও ভক্তদের ব্যাপক উপস্থিতির মধ্য দিয়ে গোপালগঞ্জে শ্রীশ্রী লোকনাথ ব্রহ্মচারী বাবার ২৯৬তম শুভ আবির্ভাব উৎসব ও পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শুভ জন্মাষ্টমী উদযাপিত হয়েছে।

শুক্রবার ও শনিবার গোপালগঞ্জ শহরের লেকেরপাড়ে অবস্থিত সর্বজনীন শ্রীশ্রী লোকনাথ বাবার মন্দির প্রাঙ্গণে দুই দিনব্যাপী এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে পূজা-অর্চনা, ধর্মীয় আলোচনা ও বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে দিনটি উদযাপন করেন সনাতন ধর্মাবলম্বীরা।

Advertisement
Advertisement

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি গোপালগঞ্জ-২ আসনের সাংসদ  ডা. কে. এম. বাবর উপস্থিত না থাকলেও, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী যুবদল, গোপালগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন লিপটন।

আরও পড়ুন: ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের অভিষেক ও লোগোর মোড়ক উন্মোচন

ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের অভিষেক ও লোগোর মোড়ক উন্মোচন

এ সময় মন্দির প্রাঙ্গণে ভক্তদের পদচারণায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ। ধর্মীয় সঙ্গীত, পূজা-অর্চনা ও নানা আয়োজন ঘিরে ভক্তদের মধ্যে ছিল ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা।

Advertisement
Advertisement

অনুষ্ঠানের আয়োজক শ্রী খকন কর্মকার জানান, সম্প্রীতি ও ধর্মীয় মূল্যবোধকে ধারণ করে প্রতিবছরের মতো এবারও যথাযথ ধর্মীয় মর্যাদায় লোকনাথ বাবার আবির্ভাব উৎসব ও শ্রীকৃষ্ণের জন্মাষ্টমী উদযাপন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে স্থানীয়রাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ও বিপুলসংখ্যক ধর্মপ্রাণ ভক্ত অংশগ্রহণ করেন।

ট্যাগ:

ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের অভিষেক ও লোগোর মোড়ক উন্মোচন

দৈনিক কাদামাটি
দৈনিক কাদামাটি Reporter প্রকাশিত: শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬২০২৬, ৯:১১ PM ১৮৮ বার পড়া হয়েছে
ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের অভিষেক ও লোগোর মোড়ক উন্মোচন
ছবি: সংগৃহীত
Advertisement
Advertisement

নিজস্ব সংবাদদাতা,

ঢাকার সোনারগাঁও হোটেলের সুরমা হলরুমে ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের লোগোর মোড়ক উন্মোচন, আন্তর্জাতিক সম্মাননা প্রদান ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

Advertisement
Advertisement

শনিবার (২৯ আগস্ট) বিকেল ৪টায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আগত সাংবাদিক, গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব, সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লায়ন ডাঃ মোঃ মাজহারুল আনোয়ার, জেলা গভর্নর, ১১৫ বি/১, লায়ন্স ক্লাবস ইন্টারন্যাশনাল। তিনি ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের  লোগোর আনুষ্ঠানিক মোড়ক উন্মোচন করেন।

Advertisement
Advertisement

অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দৈনিক সরেজমিন বার্তার সম্পাদক ও প্রকাশক মোঃ নূর হাকিম। উদ্বোধক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় দৈনিক মহাকালের সম্পাদক ও প্রকাশক খান সেলিম রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন আলফা ফ্রেশ লিমিটেডের চেয়ারম্যান এল কে চৌধুরী। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক (কানাডা) লায়ন নাঈমা ফেরদৌসী, সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক, বিভিন্ন পেশার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ এবং দেশ-বিদেশের প্রতিনিধিরা।

Advertisement
Advertisement
আরও পড়ুন: কাশিয়ানীতে মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রশাসনের যৌথ অভিযান

কাশিয়ানীতে মাছ ও জলজ জীববৈচিত্র্য রক্ষায় প্রশাসনের যৌথ অভিযান

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, বর্তমান বিশ্বে সাংবাদিকতার পরিধি আর একটি দেশের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই। তথ্যপ্রযুক্তির বিকাশের ফলে সাংবাদিকতার ক্ষেত্র এখন আন্তর্জাতিক। তাই বস্তুনিষ্ঠ, দায়িত্বশীল ও নৈতিক সাংবাদিকতার পাশাপাশি সাংবাদিকদের আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি সময়ের দাবি।

বক্তারা আরও বলেন, গণতন্ত্র, মানবাধিকার, সুশাসন ও সমাজের ইতিবাচক পরিবর্তনে গণমাধ্যমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের দায়িত্বশীলতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। একই সঙ্গে সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা, নিরাপত্তা ও অধিকার রক্ষায় সংগঠিতভাবে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

Advertisement
Advertisement

ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের বক্তারা সংগঠনটির প্রতিষ্ঠার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সকলকে অভিনন্দন জানান। তারা বলেন, দেশের সাংবাদিকদের পাশাপাশি বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাংবাদিকদের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগ ও সহযোগিতার একটি কার্যকর প্ল্যাটফর্ম হিসেবে সংগঠনটি কাজ করবে—এমন প্রত্যাশা রয়েছে।

আলোচনা সভা শেষে প্রধান অতিথি লায়ন ডাঃ মোঃ মাজহারুল আনোয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের লোগোর মোড়ক উন্মোচন করেন। এ সময় সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।

Advertisement
Advertisement

পরে প্রতিষ্ঠার এক বছর পূর্তি উপলক্ষে বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ আন্তর্জাতিক সম্মাননা প্রদান করা হয়। অতিথিবৃন্দ নির্বাচিতদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেন।

অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অংশগ্রহণকারীরা ইন্টারন্যাশনাল প্রেস ক্লাব ট্রাস্টের কার্যক্রম আরও সম্প্রসারণের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বাংলাদেশের সাংবাদিকদের প্রতিনিধিত্ব ও মর্যাদা বৃদ্ধিতে সংগঠনটির সফলতা কামনা করেন।

Advertisement
Advertisement
ট্যাগ: